বাঁকুড়ার মাতা বাসুলি
বাসুলী মায়ের উপাখ্যান
মুনমুন মুখার্জ্জী
বাসুলী মায়ের কথা শুনেছ? মন্দির ছাতনা গ্রামে,
বড়ু চন্ডীদাসের নামের সাথে তাকে কে না জানে--
রাঢ়বাংলার জাগ্রত দেবী সবাই তাকে মানে,
আরাধনা ও মাহাত্ত প্রচারে লোক মাতৃকা জ্ঞানে!
মন্দির সংলগ্ন পুকুর ঘিরে রয়েছে নানা কথা--
এর জলে কেউ পা দেয় না, ভেজায় জলে মাথা।
চৈত্র মাসের বাসন্তী পূজায় জমজমাট হয় মেলা,
দশ বারো দিন নানা অনুষ্ঠানে ভরে ওঠে সে মেলা।
এসব কিছু নেট ঘেটে তোমরা ঠিকই খুঁজে পাবে,
দেবীর পুজারীদের বলো খুুঁজতে কোথায় যাবে?
স্বরবেড়িয়ায় খোঁজ নিলে জানতে পারবে কিছুু,
সেখানে পুজারীদের বংশধর আজও আছে কিছুু।
কাশীপুরের মহারাজা দেন দেওঘুরিয়া উপাধি,
উপাধিটাই চলছে আজও, ভুলেছে নিজস্ব পদবী।
নারায়ন চন্দ্র মানুষ হয়েছিলেন মামাবাড়ি ভিটে,
তাই মুখার্জ্জী পদবী রয়ে গেছে কোন রকমে টিকে।
গ্রামের মানুষ গর্ব করে মায়ের পুজারীর বংশ বলে,
রুখা শুখা গ্রামবাসীর সংসার কোন রকমে চলে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন