পোস্টগুলি

পঞ্চবান লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দোষটা কার

দোষটা কার মুনমুন মুখার্জ্জী দুষ্টু লোকেরা দেবেই উস্কানি প্রচার! ভাবতে তো হবে দোষটা কার? এটা কি শুধুই ক্ষমতার প্রচার? ব্যর্থ প্রশাসন পালনে দায়িত্ব ভার? ভুল যারই হোক সাধনা বেকার।

দিতেও পারি

দিতেও পারি মুনমুন মুখার্জ্জী ভালোবাসা তোমাকে তো দিতেই পারি আগে তুমি তার যোগ্য হও, ক্ষমাও তোমাকে আমি করতেই পারি প্রকৃত মানেটা আগে জেনে নাও, নতুন করে কি ভাবতে চাও?

মা

মা মুনমুন মুখার্জ্জী মা ঠিক হয় মায়ের মতো-- দেখাও না রাগ দেখাবে যত; মা বলে ডাকলেই গলে জল, চোখটা শুধু তার করে ছলছল! অভিমান ঢাকতে মা করেন ছল।

হারিয়ে পাওয়া

হারিয়ে পাওয়া মুনমুন মুখার্জ্জী ছেলেবেলার দিনগুলো আবার দিল ডাক- ওইতো শোনা যায় কোলাব্যাঙে হাঁক; কাজের ফর্দটা আজকে পড়েই থাক! কাগজের নৌকাগুলো ছোটোরা সাথে ভাসাই, হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলো পুনরায় সাজাই।

নিখোঁজ মানবিকতা

নিখোঁজ মানবিকতা মুনমুন মুখার্জ্জী মানবিকতা শব্দটা আজ বড় ফ্যাকাশে, শত খুঁজেও আর মেলেনা সে-- নেইতো আজ আর কারো আকাশে হয়তো হাজার রকম অবহেলার শেষে কবির কাব্যে ঠাঁই পেয়েছে সে।

স্বপ্ন পথ দেখায়

স্থপ্ন পথ দেখায় মুনমুন মুখার্জ্জী স্বপ্ন কখনো ঝোলে গাছের ডালে, লাশ হয়েও ভাসে নদীর জলে, নিভৃতে বালিস ভিজে ওঠে অশ্রুজলে,  তবুও বেঁচে থাকে মনের অতলে, সেজে ওঠে ঠিক নতুনত্বের মায়াজালে

জনসভার প্রভাব

জনসভার প্রভাব মুনমুন মুখার্জ্জী জনগণের জন্য কে কি করেছেন তুলে ধরুন দেখি তার খতিয়ান, অনলাইনে না হয় করুন প্রচার-- জনগণ করবে তার সঠিক মূল্যায়ন! অতিমারীতে জনসভা ব্যর্থ করে জনকল্যাণ।

ছুটিতে বন্দী

ছুটিতে বন্দী মুনমুন মুখার্জ্জী শৈশবটা বন্দী ছিল বইয়ের পাতায়-- বন্দী ছিল গান বাজনার নিয়মানুবর্তিতায়; খেলাধুলাতেও ছিল হাজার রকম নিয়ম! ছুটির জন্য হাঁসফাস করত ছোটদের মন। ছুটিটা কিন্তু ছিল ছুটিরই মতন।

বাৎসরিক সংসার

বাৎসরিক সংসার মুনমুন মুখার্জ্জী বাৎসরিক তুফান ওঠে সমুদ্রের বুকে-- চলে ধ্বংসলীলা সারা উপকূলের জুড়ে; ঘর ভেঙে আকাশের নিচে ঠাঁই। বিপন্ন মানুষ নতুন স্বপ্ন দেখে-- বাঁধে ঘর, স্থায়িত্ব এক বছর।

শ্রদ্ধা উপহার

 শ্রদ্ধা উপহার মুনমুন মুখার্জ্জী প্রেমে পাগল দেখিনি তোমার মতো, তোমার কাছে শিখেছি প্রতিবাদ যতো; তোমার মধ্যে ছিল প্রতিভার পাহাড়! তবু ছিল না কোনো অহংকার-- নজরুল তোমায় দিলাম শ্রদ্ধা উপহার।